যুক্তরাষ্ট্রে ডিজিটাল সম্পদ সংরক্ষণের নতুন নীতি
ওয়াশিংটন, ৬ মার্চ ২০২৫: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নতুন নির্বাহী আদেশ জারি করে “স্ট্র্যাটেজিক বিটকয়েন রিজার্ভ” (Strategic Bitcoin Reserve) এবং “যুক্তরাষ্ট্র ডিজিটাল অ্যাসেট স্টকপাইল” (United States Digital Asset Stockpile) গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে মার্কিন সরকার ক্রিপ্টোকারেন্সি বিশেষ করে বিটকয়েনকে “ডিজিটাল স্বর্ণ” হিসেবে গ্রহণ করে তার কৌশলগত সংরক্ষণ ও ব্যবহার নিশ্চিত করতে চায়।
প্রধান নির্দেশনা ও নীতিমালা:
🔹 যুক্তরাষ্ট্র সরকার স্ট্র্যাটেজিক বিটকয়েন রিজার্ভ গঠন করবে, যেখানে সমস্ত সরকারি বিটকয়েন (BTC) সংরক্ষিত থাকবে।
🔹 ডিজিটাল অ্যাসেট স্টকপাইল তৈরি করা হবে, যেখানে বিটকয়েন ব্যতীত অন্যান্য ডিজিটাল সম্পদ রাখা হবে।
🔹 কোনো সরকারি বিটকয়েন বিক্রি করা হবে না, বরং এটি রিজার্ভ অ্যাসেট হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে।
🔹 বিটকয়েন কেনার নতুন কৌশল তৈরি হবে, তবে এটি মার্কিন জনগণের জন্য করের বোঝা বাড়াবে না।
🔹 সরকারি সংস্থাগুলোর অধীনে থাকা সকল ডিজিটাল সম্পদের হিসাব ৩০ দিনের মধ্যে ট্রেজারি বিভাগে জমা দিতে হবে।
কেন এই সিদ্ধান্ত?
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মতে, বিটকয়েন “ডিজিটাল স্বর্ণ” এবং এর সীমিত সরবরাহ থাকায় এটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। বিশ্বে প্রথম দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র যদি একটি শক্তিশালী বিটকয়েন রিজার্ভ গঠন করতে পারে, তাহলে এটি আর্থিক ও প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বাড়াবে।
সম্ভাব্য প্রভাব:
✅ বৈশ্বিক আর্থিক বাজারে যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য আরও জোরদার হবে।
✅ ডিজিটাল সম্পদের আইনি কাঠামো আরও সুসংহত হবে।
✅ সরকারি বাজেটে চাপ সৃষ্টি না করে ডিজিটাল মুদ্রার কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হবে।
এই নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে মার্কিন প্রশাসন প্রথমবারের মতো সরকারি বিটকয়েন সম্পদ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য একটি সুস্পষ্ট নীতি গ্রহণ করল। এখন দেখার বিষয়, এই পদক্ষেপ কীভাবে বৈশ্বিক ক্রিপ্টো মার্কেটে প্রভাব ফেলে এবং অন্যান্য দেশ এতে কী প্রতিক্রিয়া জানায়।
Source: Advocatetanmoy