বিশ্ব সংস্কৃত দিবসে মোদির শুভেচ্ছা, সংস্কৃত সংরক্ষণে সরকারের অঙ্গীকার

Prime Minister, Shri Narendra Modi

দেহাতি: ৯ আগস্ট, ২০২৫

শ্রাবণ পূর্ণিমায় সংস্কৃতের প্রাচীন ঐতিহ্য ও আধুনিক প্রসারে কেন্দ্রের উদ্যোগের প্রশংসা

আজ শ্রাবণ পূর্ণিমায় বিশ্ব সংস্কৃত দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন। সংস্কৃতকে তিনি বর্ণনা করলেন “এক অনন্ত জ্ঞানের ও প্রকাশের উৎস” হিসাবে, যার প্রভাব শিক্ষা, বিজ্ঞান, দর্শন, সাহিত্য সহ জীবনের নানা ক্ষেত্রে গভীরভাবে প্রতিফলিত।

প্রধানমন্ত্রী মোদি বিশ্বজুড়ে সংস্কৃত শেখা, শেখানো ও জনপ্রিয় করার সঙ্গে যুক্ত সকল পণ্ডিত, গবেষক ও শিক্ষার্থীর নিষ্ঠা ও প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। তিনি জানান, গত এক দশকে কেন্দ্র সরকার সংস্কৃত শিক্ষা ও গবেষণার বিকাশে বহু পদক্ষেপ নিয়েছে—যেমন কেন্দ্রীয় সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, সংস্কৃত শিক্ষাকেন্দ্র খোলা, পণ্ডিতদের অনুদান প্রদান, এবং প্রাচীন পাণ্ডুলিপি ডিজিটাইজ করার জন্য ‘জ্ঞান ভারতম’ মিশন চালু করা। এর ফলে অসংখ্য ছাত্রছাত্রী ও গবেষক উপকৃত হয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর একাধিক পোস্টে সংস্কৃতের প্রাচীনত্ব ও সমৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে লেখেন, এটি মানবসভ্যতার প্রাচীন বৈদিক সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ধারক।

বিশ্বের প্রাচীনতম জীবিত ভাষা হিসেবে সংস্কৃতের শব্দভাণ্ডার অত্যন্ত সমৃদ্ধ, এবং এর ব্যাকরণ সর্বাধিক বৈজ্ঞানিক; পাণিনির অষ্টাধ্যায়ী তার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ, যার উপর পতঞ্জলি রচনা করেছিলেন ‘মহাভাষ্য’। পরবর্তীকালে এর সংক্ষিপ্ত রূপ ‘লঘু সিদ্ধান্ত কৌমুদী’ নামে পরিচিত হয়। বাংলায় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সংস্করণ ‘ব্যাকরণ কৌমুদী’ নামে খ্যাত। ভারতের সব ভাষাই পাণিনি ব্যাকরণের পদ্ধতি অনুসরণ করে, যা আজও প্রাসঙ্গিক ও আধুনিক ভাষাতত্ত্বের ভিত্তি।